পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এডুটেক
বাচ্চারা আনন্দের সাথে আইটি শিখবে,
আর নিজেদের দক্ষতা আরও বাড়াবে।
আমাদের ভিশন
আইটি শিক্ষার মাধ্যমে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ি
প্রযুক্তি যেভাবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, বিশ্বও সেভাবেই দ্রুত বদলে যাচ্ছে। আমাদের কাজ, জীবনযাপন ও শেখার পদ্ধতিতেও প্রযুক্তির প্রভাব এখন স্পষ্ট। কিন্তু তারপরও অনেক শিক্ষাব্যবস্থা এখনও পুরোনো শেখানোর পদ্ধতি ও বিষয়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল।
এই দ্রুত পরিবর্তনশীল AI-এর যুগে শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য যে দক্ষতাগুলো সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, আমরা সেগুলোই শেখাতে চাই। প্রযুক্তি ও মানুষের সৃজনশীলতাকে একসাথে কাজে লাগিয়ে আমরা শেখাকে আরও আনন্দদায়ক, কার্যকর ও নতুনভাবে উপস্থাপন করি।
আমাদের লক্ষ্য—শিশুদের এমনভাবে প্রস্তুত করা, যাতে তারা ভবিষ্যতের পৃথিবীতে আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যেতে পারে। এভাবেই আমরা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব।
আমাদের মিশন
আমরা ভোক্তা হতে উদ্ভাবকে রুপান্তরিত করি
বিশ্বজুড়ে তরুণ প্রজন্মের জন্য মানসম্পন্ন আইটি শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা।
প্রযুক্তি ও শিক্ষকের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শেখাকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করে তোলা।
স্ক্রিনের প্রতি আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু শেখার সুযোগ তৈরি করা।
AI-এর দ্রুত বদলে যাওয়া এই সময়ে, বাচ্চাদের ২১শ শতাব্দীর প্রয়োজনীয় দক্ষতা শেখাই, যাতে তারা ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রস্তুত হতে পারে।
সারা বিশ্বে নতুন প্রজন্মের জন্য দক্ষ শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো।
আমাদের শিক্ষকদের মূলনীতি
FUN to Teach, HELPFUL to Guide, ADAPTIVE to Grow, INITIATIVE to Learn, and PROFESSIONAL to Excel!
টাইমডোর একাডেমিতে আমরা বিশ্বাস করি, শিশুদের শেখার অভিজ্ঞতা ভালো করতে একজন ভালো শিক্ষকের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের শিক্ষকেরা পাঁচটি মূল নীতি অনুসরণ করেন, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী আনন্দের সাথে শিখতে পারে এবং শেখার সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়।
শেখাকে এমন কিছু করে তোলা, যার জন্য শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করে।
আমাদের ক্লাসে শিক্ষার্থীরা নিজের মতো করে শিখতে, নতুন কিছু তৈরি করতে এবং নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পারে।
শুধু শেখানো নয়, পাশে থেকে সহায়তা করা।
প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে আমরা শেখার পথেরই অংশ মনে করি। আমাদের শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের বুঝতে, আবার চেষ্টা করতে, সমাধান খুঁজে পেতে এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পাশে থাকেন।
কারণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর শেখার ধরন আলাদা।
আমরা প্রতিটি শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব, চাহিদা ও সক্ষমতা অনুযায়ী শেখানোর ধরন সাজাই। পাশাপাশি, প্রযুক্তি ও শিক্ষার নতুন অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের শিক্ষকেরাও সবসময় আপডেটেড থাকেন।
প্রতিটি শেখার সুযোগকে কাজে লাগানো।
এমন মান বজায় রেখে শেখানো, যা নিয়ে আমরা গর্বিত।
টাইমডোর একাডেমির শিক্ষক হওয়া মানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য সেরাটা দেয়ার দায়িত্ব নেয়া। প্রতিটি ক্লাসে আমরা সততা, শৃঙ্খলা ও যত্নকে গুরুত্ব দিই।
কার্যক্রম
সামাজিক কল্যানের জন্য সিএসআর কোডিং
সমাজে ইতিবাচক ভূমিকায় অবদান রাখতে আমরা ১০০০ এর ও বেশি সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিং শিক্ষা দিয়েছি, একশজন চমৎকার সেচ্ছাসেবক দ্বারা। এই কার্যক্রম বাতসরিকভাবে চলবে সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে কোন বিশেষ শর্ত ছাড়া কোডিং সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে।
কার্যক্রম
কোডিং প্রতিযোগিতা
আমরা প্রতি বছর একটি আন্তর্জাতিক কোডিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করি শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিং স্কিল ঝালাই করার জন্য এবং বিশ্বের সবখান থেকে অসাধারন সব শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। ১০০০ এর ও বেশি শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে এবং বিজেতাদের অনেক আকর্ষনীয় সব পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
বিশাল একশন ভলেন্টিয়ার কোডিং ওয়ার্কশপ
বেশিরভাগ শিশুই ফান -বেসড IT শিক্ষার জন্য পটেনশিয়াল
আমাদের কোম্পানীর পটভূমি
আমাদের যাত্রা শুরু হয় একটি সফটয়্যার হাউস কোম্পানী হিসেবে, আই.টি. কোম্পানী হিসেবে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের অনেকগুলো বড় প্রজেক্ট হ্যান্ডেলিং করার, যেমন- ওয়েবসাইট, মোবাইল এপ, সফটয়্যার এবং কোম্পানীর অভ্যন্তরীন সিসটেম ডেভেলপ থেকে শুরু করে কমিক কালারিং। জাপান, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়শিয়ার ক্লায়েন্টদের আস্থা নিয়ে, এখন আমাদের লক্ষ্য- দক্ষ ও অঙ্গিকারবদ্ধ প্রোগ্রামারদের সাহায্যে ক্লায়েন্টদের পূর্ন সন্তুষ্টি। আমরা জানি প্রোগ্রামিং স্কিল কিভাবে আমাদের জগতকে রাতারাতী পরিবর্তন করতে পারে এবং তরুন প্রজন্মকে প্রোগ্রামিং শেখানোর লক্ষ্যকে আরো প্রসারিত করতে আমাদের যাত্রা শুরু এক উন্নত প্রজন্মের লক্ষ্যে, আর এভাবেই টাইমডোর একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
আমাদের কোম্পানীর পটভূমি
আমাদের টিম পরিচিতি।
ইউতাকা টোকুনাগা
কো-ফাউন্ডার এবং টাইমডোর প্রধান নির্বাহী (সি.ই.ও)
ইউতাকা টোকুনাগা
মিঃ ইউতাকা জাপান থেকে ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৪ সালে আসেন এবং টাইমডোর আইটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
সেই সময় ইইন্টারনেটের গতি অনেক মন্তর ছিলো এবং খুব বেশি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার হতো না, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পরবর্তীতে ৫ বছরে ইন্দোনেশিয়া ডিজিটালাইজ হতে থাকে নাটকীয়ভাবে।
অনলাইন কেনাকাটা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, খাবার ডেলিভারি অনেকটাই অনলাইন নির্ভর হয়ে যায়, শিক্ষা এবং চিকিৎসা ও ডিজিটাল হতে থাকে।
আমাদের, পিটি. টাইমডোর আইটি কোম্পানি লক্ষ্য হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়ার প্রথম সারির আইটি কোম্পানি হওয়া যাতে আমরা আইটি শিক্ষা, সিস্টেমের উন্নয়ন করতে পারি বিভিন্ন ডিজাইনের দ্বারা এবং ডিজিটালাইজেশনের দ্বারা সকলকে সহযোগিতা করতে পারি।
সেতিয়ো পুরওয়ানিংসিহ, এম.এস.সি
কোফাউন্ডার এবং হেড অফ একাডেমি
সেতিয়ো পুরওয়ানিংসিহ, এম.এস.সি
মিস তিও’র প্রায় ৫ বছরের অধিক শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে নেদারল্যান্ড যাওয়ার আগে, তিনি নেদারল্যান্ড গিয়েছিলেন সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম আদান-প্রদান করার জন্য।
নেদারল্যান্ডসে তিনি খুব কাছ থেকে স্টিভ জবস স্কুলের পাঠ্যক্রম দেখে ছিলেন, তিনি দেখেছেন ২১ শতকের বাচ্চারা কিভাবে জটিল সমস্যা গুলো সমাধান করেন এবং টিম ওয়ার্ক করেন ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে।
জ্ঞানের পরিধি আরো বৃদ্ধির জন্য তিনি পুনরায় পড়াশোনা শুরু করেন প্রযুক্তি ও সমাজ বিজ্ঞানে বৃস্টল ইউনিভার্সিটি, ইউকে তে।
শিক্ষার প্রতি প্রচন্ড ভালোবাসা থেকে, তিনি তার সকল শিক্ষার অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়াতে তুলে ধরার জন্য তিনি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছেন৷
ফেরদি আরহামি
কোফাউন্ডার এবং হেড অফ টেকনোলজি
ফেরদি আরহামি
তরুণ বয়স থেকেই মি. ফেরদি রয়েছে শিক্ষা নিয়ে উচ্চ আকাঙ্ক্ষা ও প্রচন্ড অধ্যবসায়।
৩ থেকে ১৬ বছরের বাচ্চাদের সাথে তার জ্ঞানের পরিধি শেয়ার করার পন্থা গুলোই প্রমাণ করে যে, তিনি শিক্ষকতা পেশাকে কতটা পছন্দ করেন।
তার রয়েছে রোবটিক্স ও প্রোগ্রামিংয়ে বিশেষ দক্ষতা,
তিনি লেগো মিডিয়ার সাথে এই বিষয় গুলোতে স্পেশালিষ্ট।
তিনি বর্তমানে হেড অফ টেকনোলজি এবং অদম্য প্রোগ্রামার হিসেবে টাইমডোর ইন্দোনেশিয়াতে কর্মরত রয়েছেন।
তার সর্বদা লক্ষ্যই হচ্ছে প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে বেষ্ট কোয়ালিটির শিক্ষার প্রসার করা এবং তিনি সবসময় জাতির উন্নয়নে ক্ষুদার্ত থাকেন।